- উদ্যোক্তা · ব্র্যান্ডিং বিশেষজ্ঞ · e-CAB ফাউন্ডার মেম্বার
আমি আবু সুফিয়ান নিলাভ
কারো বিরুদ্ধে না, বরং সবার পাশে দাঁড়াতে চাই। দেশের ক্রিয়েটিভ, ই-কমার্স ও আউটসোর্সিং ইন্ডাস্ট্রিতে আধুনিক প্রযুক্তি ও AI-র সংযুক্তির মাধ্যমে নতুন উদ্যোক্তাদের পাশে দাঁড়ানো আমার প্রধাণ লক্ষ্য।
- সদস্য নম্বর 45
- ভোটার আইডি 11
১৮+
বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা
১৫+
বছরের নিজল ক্রিয়েটিভ
২০০+
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ
৫০০০+
উদ্যোক্তার সাথে পথচলা
- পরিচয়
ব্র্যান্ডিং আমার মূল পরিচয়।
আমি আবু সুফিয়ান নিলাভ, একজন উদ্যোক্তা, ব্র্যান্ডিং বিশেষজ্ঞ ও ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রির কর্মী। ২০১১ সালে আমি নিজল ক্রিয়েটিভ প্রতিষ্ঠা করি, যেটা আজ দেশের অন্যতম পরিচিত ফটোগ্রাফি, ব্র্যান্ডিং ও ডিজিটাল মার্কেটিং প্রতিষ্ঠান। আমার কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছি বেস্ট ফটোগ্রাফার অব দ্য ইয়ার ২০১৫ পুরস্কার।
ব্র্যান্ডিং আমার মূল পরিচয়। আমি ই-কমার্স সাইটের প্রোডাক্টের ভিজুয়াল ব্রান্ডিং করি। এই ই-কমার্স ব্যবসায়ের মূল হল ভিজুয়াল কন্টেন্ট, যা দেখেই মূলত ক্রেতারা অনলাইন থেকে পণ্য ক্রয় করে। গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে দেশি-বিদেশি অসংখ্য ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। পাশাপাশি আমি ই-ক্যাবের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য, এবং বর্তমানে আমার প্রতিষ্ঠান BACCO-এর সদস্য হিসেবেও যুক্ত রয়েছে।
আমি বর্তমানে জেসিআই, রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ও ফাউন্ডারস ক্লাব-এর সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত আছি।
আমার লক্ষ্য হচ্ছে – দেশের ক্রিয়েটিভ, ই-কমার্স ও আউটসোর্সিং ইন্ডাস্ট্রিতে আধুনিক প্রযুক্তি ও AI-র সংযুক্তির মাধ্যমে নতুন উদ্যোক্তাদের পাশে দাঁড়ানো, এবং একটি উদ্ভাবনী বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
গর্বিত মেম্বার
- অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি
কাজ দিয়ে প্রমাণ করতে চাই
আমি e-CAB-এর শুরুর আগে থেকেই এই প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে আছি। আমি একজন ফাউন্ডার মেম্বার, আমার সদস্য নম্বর ৪৫, ভোটার আইডি ১১।
নিজল ক্রিয়েটিভ প্রতিষ্ঠা করেছি ১৫ বছর আগে এবং প্রতিনিয়ত সাফল্য ধরে রেখে নেতৃত্ব দিয়ে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। আমার ১৮ বছরের ক্যারিয়ার ও গত ১৫ বছরে ই-কমার্স আর ভিজুয়াল ব্র্যান্ডিং নিয়ে দেশের প্রায় ২০০+ ই-কমার্স ও ৫০০০+ উদ্যোক্তার সাথে সরাসরি কাজ করেছি। দেশের বাইরে অ্যামাজন ও আলিবাবার মত মার্কেটপ্লেসে আমার কাজ প্রতিনিয়ত যাচ্ছে।
নিজের জায়গা থেকে ই-কমার্সের জন্য কাজ করে গেলেও একটা সময় পর বুঝেছি— কাজ শুধু বাইরেই করলে হবে না, এখন দরকার ভিতরের জায়গাটাকেও শক্ত করা।
এইবার নির্বাচন করছি, কারণ আমি বিশ্বাস করি— e-CAB এর ভেতরে এমন কিছু বিষয় আছে যেখানে বাস্তব অভিজ্ঞতা, মাঠ পর্যায়ের বোঝাপড়া, আর কমিউনিটির সঙ্গে সরাসরি কানেকশন থাকা মানুষ দরকার।
আমি নিজে সবসময় চেষ্টা করেছি কাজ দিয়ে প্রমাণ করতে—সমাধান খুঁজতে গেলে অভিযোগ নয়, উদ্যোগ লাগে।
এইবার নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি আপনাদেরই একজন হিসেবে। কারো বিরুদ্ধে না, বরং সবার পাশে দাঁড়াতে চাই। দৃষ্টিভঙ্গির জায়গা থেকে কাজ করতে চাই।
আমার এই পথচলার শুরু থেকে আজ পর্যন্ত আমি সবসময়ই কমিউনিটির একজন অংশীদার হয়ে কাজ করেছি। আমার এই ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা এবং গত ১৫ বছর ধরে নিজল ক্রিয়েটিভ পরিচালনার অভিজ্ঞতা আমাকে ব্যবসায়িক, ব্র্যান্ডিং, মিডিয়া এবং প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও গভীর জ্ঞান দিয়েছে।
২০২২-২০২৪ নির্বাচনে আমি অংশ নিয়েছিলাম, এবং যদিও সেই সময় আমি জয়ী হতে পারিনি, তবে সেই অভিজ্ঞতা আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। কীভাবে আরও বাস্তববাদী হতে হয়, কীভাবে সংগঠনের জন্য ধৈর্য আর পেশাদারিত্ব ধরে রাখতে হয়—এই শিক্ষা নিয়ে আজ আবার নতুন করে e-CAB এর নেতৃত্বে দাঁড়িয়েছি। আবার ২০২৫-২০২৭ এর নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম যদিও সেই নির্বাচন মহান আদালতের রিটের কারনে বন্ধ হয়ে যায়।
২০০৭ সালে আমি ক্যারিয়ার শুরু করি৷ এরপর ২০১০ সালে উদ্যোক্তা হবার স্বপ্ন নিয়ে আমি খুলনার এন্টারপ্রেনার ইনকিউবেটর প্রকল্পের মাধ্যমে ট্রেইনিং করে ২০১১ সালে নিজল ক্রিয়েটিভ প্রতিষ্ঠা করি, এবং ৫,০০০ উদ্যোক্তা এবং প্রশিক্ষণার্থীদের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমাকে জানায়, কীভাবে একটি সুস্থ, শক্তিশালী এবং গ্লোবাল ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রি গঠন করা যায়।
আমি জানি, ই-ক্যাবের প্রতিটি সদস্যের সফলতা আমাদের সকলের সফলতা। আমি চাই e-CAB কে একটি গ্লোবাল আউটলুক দিতে, যেখানে সদস্যরা তাদের ব্র্যান্ডিং, ক্রিয়েটিভ কাজ, AI এবং UI (User Interface) নিয়ে সফলভাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। নতুন উদ্যোক্তাদের সাহায্য করতে চাই, তাদের যাত্রায় সঠিক দিকনির্দেশনা ও সহায়তা প্রদান করতে চাই।
“কাজ শুধু বাইরেই করলে হবে না, এখন দরকার ভিতরের জায়গাটাকেও শক্ত করা।”
- ই-ক্যাবের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য আবু সুফিয়ান নিলাভ
- আমার লক্ষ্য
একটি উদ্ভাবনী বাংলাদেশ
ই-ক্যাবকে একটি গ্লোবাল আউটলুক দিতে হবে- যেন আমরা প্রত্যেকে এর মেম্বার হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। ই-ক্যাবের মাধ্যমে সদস্যদের মধ্যে ক্রিয়েটিভ এবং UI (User Interface) নিয়ে তাদের কোম্পানি ব্র্যান্ডিং-এ নিজেকে নিয়োজিত করতে চাই! এছাড়া বর্তমানের AI নির্ভর প্রযুক্তির সাথে ই-কমার্সকে যুক্ত করে নতুন উদ্যোক্তা ও ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রির সাহায্য করতে চাই।
ভোটার হিসেবে নয় একজন ই-ক্যাব মেম্বার হিসেবে, ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রির একজন মানুষ হিসাবে আপনার দোয়া ও সমর্থন চাই, যাতে আমি ই-ক্যাবের নেতৃত্বে আপনাদের সেবা দিতে পারি, এবং আমাদের ই-কমার্স সেক্টরকে আরও শক্তিশালী, সহায়ক এবং বিশ্বের সেরা করতে পারি।
আমি দীর্ঘদিন ধরে JCI, Rotary, BACCO এবং Founder’s Community Club এর মতো গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনে কাজ করে শিখেছি, গঠনমূলক পরিবেশ তৈরি করা কেমন হওয়া উচিত। বর্তমানে আমি JCI Manikganj এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছি৷ আমার ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা, আইটি এক্সপার্ট, ব্রান্ড মার্কেটার, ফটোগ্রাফার এবং মিডিয়া পার্সন হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে আমি e-CAB এর জন্য কাজ করতে চাই।
- একসাথে এগিয়ে যাওয়া
ই-কমার্সের অগ্রযাত্রায়: একটি স্মৃতিময় যাত্রা
২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ই-কমার্স মেলা থেকে শুরু হয়েছিল আমার যাত্রা, এবং সেই শুরু থেকেই নিজল ক্রিয়েটিভের অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন এসেছে, অনেক কিছু শিখেছি, অনেক স্মৃতি জমেছে। আজ যখন ই-কমার্সের ইতিহাস দেখি, আমি তাতে নিজেকে এক অঙ্গ হিসেবে অনুভব করি।
প্রথম মেলা, প্রথম প্রেস কনফারেন্স, চট্টগ্রামের প্রেস কনফারেন্স—এই মুহূর্তগুলো ছিল আমাদের কঠিন সংগ্রামের সাক্ষী। সেই সময়ের বন্ধুদের একত্রিত হওয়ার আবেগ, একে অপরকে সহায়তা করা, একই লক্ষ্যকে সামনে রেখে সামনে এগিয়ে যাওয়া—এসব ছিল আমাদের জয়।
ই-ক্যাবের প্রতিষ্ঠার পর, আমাদের পথচলা শুধু কঠিনই ছিল না, বরং ছিল একটি দুর্বার আকাঙ্ক্ষার ফল। কতগুলি প্রথম কর্মশালা, বুট ক্যাম্প, শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের সাথে মিটিং, এগুলো সব কিছুই আমাদের ঐক্য এবং অগ্রগতির অংশ। ২০১৫ সালের মার্চ মাসে ‘উই’ যাত্রা শুরু হয়েছিল, এবং আমি গর্বিত যে ই-ক্যাবের এই উদ্যোগে নিজল ক্রিয়েটিভ ছিল সম্পৃক্ত।
এছাড়া, সময়ের সঙ্গে নিজের প্রতিষ্ঠান নিজল ক্রিয়েটিভও এক নতুন দিগন্তে পৌঁছেছে। পাঁচ বছর পর, যে প্রতিষ্ঠানের গর্বিত হয়ে শুরু হয়েছিল, সেই প্রতিষ্ঠান আজ এক নির্ভরযোগ্য নাম। এবং ২০২২ সালে ই-ক্যাবের কার্যনির্বাহী নির্বাচনে মনোনয়ন সাবমিট করলাম, যার মাধ্যমে আমি আরও একটি নতুন অধ্যায় শুরু করতে চাই।
এই পুরো সময়ের মাঝে আমাদের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—একসাথে কাজ করলে যে কোনো চ্যালেঞ্জ জয় করা সম্ভব। “আমিই” থেকে “আমরা” হতে পারলেই সব কিছু সম্ভব। সেই চেষ্টায় আমরা কিছু পরিবর্তনও আনতে সক্ষম হয়েছি, এবং আগামী দিনে আরও কিছু নতুন পরিবর্তনের প্রত্যাশা রাখছি।
এটা শুধু একটা গ্যালারি নয়, বরং একটি যাত্রা—যেখানে পেছনে তাকালে জানব, আমরা একসাথে, অনেক কিছু করতে পেরেছি। আজও সেই পথচলার অংশ হতে পেরে গর্বিত।
- ২০১৪
ই-কমার্স মেলার প্রথম পদচারণা (২০১৪)
২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪, সুফিয়া কামাল পাবলিক লাইব্রেরিতে আয়োজিত
ই-কমার্স মেলায় অংশগ্রহণ করে নিজল ক্রিয়েটিভ। ৬টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শেয়ারে স্টল নেওয়া এই অভিজ্ঞতাই ছিল ই-ক্যাব গঠনের পথচলার সূচনা।
- ২০১৪
ই-ক্যাবের প্রেস কনফারেন্স (নভেম্বর ৮, ২০১৪)
প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত ই-ক্যাবের প্রথম প্রেস কনফারেন্স ছিল এক সাহসী পদক্ষেপ। নানা প্রতিবন্ধকতা ও চাপে থেকেও যারা পাশে ছিলেন—তারা এই আন্দোলনের নেপথ্য নায়ক। আজকের ই-কমার্স জগতের সূচনায় এ দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম।
- ২০১৪
ই-ক্যাবের প্রথম চট্টগ্রাম যাত্রা (নভেম্বর ১৯, ২০১৪)
বাংলাদেশের ব্যবসায়িক রাজধানী চট্টগ্রাম থেকেই শুরু হয় ই-কমার্স প্রসারের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ই-ক্যাবের প্রথম আঞ্চলিক প্রেস কনফারেন্স আয়োজনের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠে নতুন এক মাইলফলক—যা আজও অনুপ্রেরণা হয়ে আছে।
- ২০১৪
চট্টগ্রামে ই-ক্যাব প্রেস কনফারেন্স (নভেম্বর ২১, ২০১৪)
সীমিত সামর্থ্যে হলেও চট্টগ্রামে আয়োজন হয় ই-ক্যাবের প্রথম প্রেস কনফারেন্স। তখন ছিল না কোনো বিরোধ বা বিভাজন—ছিল কেবল ই-কমার্সের প্রতি ভালোবাসা ও একতা।
- ২০১৪
Public Interest Registry (PIR) এর CEO Brian Cute-এর সাথে ই-ক্যাবের মিটিং (অক্টোবর ২৯, ২০১৪)
ই-ক্যাব তখনো অনুমোদনের অপেক্ষায়। সদস্য বৃদ্ধি ও খাতসম্পৃক্ত সংস্থাগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয় এই গুরুত্বপূর্ণ মিটিং, যেখানে উপস্থিত ছিলেন Public Interest Registry (PIR) এর CEO Brian Cute।
- ২০১৪
ই-ক্যাব টিমের প্রথম অফিসিয়াল ফটোশুট (নভেম্বর ৫, ২০১৪)
সদস্য বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে তৈরি হয় ই-ক্যাবের প্রথম এভি, আর তারই জন্য হয় এই ফটোশুট। ধানমন্ডিতে সাহেদ ভাইয়ের অফিসে সেটআপসহ দলের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ আজও স্মরণীয়।
- ২০১৪
ই-ক্যাবের প্রথম ইলেকশন মিটিং (অক্টোবর ২৭, ২০১৪)
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আয়োজকদের নিয়ে গঠিত হয় ই-ক্যাবের প্রথম ই-সি কমিটি। এ মিটিং-ই ছিল একটি আনুষ্ঠানিক যাত্রার ভিত্তি—যার চূড়ান্ত স্বীকৃতি আসে ২০১৫ সালের ৮ জুলাই।
- ২০১৫
ই-ক্যাবের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী (নভেম্বর ৮, ২০১৫)
সদস্য বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে তৈরি হয় ই-ক্যাবের প্রথম এভি, আর তারই জন্য হয় এই ফটোশুট। ধানমন্ডিতে সাহেদ ভাইয়ের অফিসে সেটআপসহ দলের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ আজও স্মরণীয়।
- ২০১৫
উই (Women in E-commerce) এর যাত্রা শুরু (মার্চ ৯, ২০১৫)
সদস্য বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে তৈরি হয় ই-ক্যাবের প্রথম এভি, আর তারই জন্য হয় এই ফটোশুট। ধানমন্ডিতে সাহেদ ভাইয়ের অফিসে সেটআপসহ দলের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ আজও স্মরণীয়।
- ২০১৫
ই-ক্যাবের প্রথম ফেসবুক কমার্স ওয়ার্কশপ (মার্চ ১৩, ২০১৫)
ই-ক্যাব উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য শুরু করে প্রথম ওয়ার্কশপ, যেখানে সহযোদ্ধা তাসদিখ হাবিব ছিলেন মূল প্রশিক্ষক। সেই ওয়ার্কশপের সফল কাহিনীগুলো আজও শুনতে পাই, আর আফসোস হয়, যদি ফটোগ্রাফির উপরও এমন কোনো ওয়ার্কশপ হতো!
- ২০১৫
ই-ক্যাবের ই-কমার্স বুট ক্যাম্প (জুন ২৩, ২০১৫)
ই-ক্যাব তখন ইন্ডাস্ট্রির উন্নয়নের জন্য একত্রে বুট ক্যাম্প আয়োজন করেছিল, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা শিখেছিল ই-কমার্সের নানা দিক। এই বুট ক্যাম্পটি অনুষ্ঠিত হয়েছিলো ইউআইইউ ক্যাম্পাসে।
- ২০১৬
নিজল ক্রিয়েটিভের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী (মে ১৪, ২০১৬)
নিজল ক্রিয়েটিভের ফটোগ্রাফি যাত্রার পঞ্চম বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয় আনন্দ ও গর্বের সাথে, যেখানে অতিথি ছিলেন রফিকুল ইসলাম স্যার এবং ই-ক্যাবের সভাপতি রাজীব ভাই। সেই দিনটি আজও মনে রেখেছি, যখন সবাই একত্রিত হয়ে আনন্দ উদযাপন করেছিল।
- ২০২২
ই-ক্যাবের চতুর্থ কার্যনির্বাহী নির্বাচনে মনোনয়ন সাবমিশন (মে ১৭, ২০২২)
নিজল ক্রিয়েটিভের ফটোগ্রাফি যাত্রার পঞ্চম বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয় আনন্দ ও গর্বের সাথে, যেখানে অতিথি ছিলেন রফিকুল ইসলাম স্যার এবং ই-ক্যাবের সভাপতি রাজীব ভাই। সেই দিনটি আজও মনে রেখেছি, যখন সবাই একত্রিত হয়ে আনন্দ উদযাপন করেছিল।
- ২০১৬
e-CAB নির্বাচনে ২০২৫-২০২৭-এর জন্য মনোনয়ন সাবমিট
e-CAB নির্বাচন ২০২৫-২০২৭-এর জন্য মনোনয়ন জমা দিয়েছি, যা আমার দীর্ঘ পথচলার নতুন অধ্যায়। ২০২২-২০২৫ নির্বাচনের অভিজ্ঞতা আমাকে শিখিয়েছে—কীভাবে বাস্তববাদী হতে হয়, সংগঠনের জন্য ধৈর্য ও পেশাদারিত্ব ধরে রাখতে হয়। এবার লক্ষ্য স্পষ্ট—e-CAB কে এমন একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্মে পরিণত করা, যেখানে সদস্যদের সম্মান ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা হয়। আমি বিশ্বাস করি, আস্থা অর্জন আর একসাথে কাজ করার সংকল্পই সবচেয়ে বড়।